View allAll Photos Tagged chattogram
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_cover_package_25_mbps_800_taka_04
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_cover_package_25_mbps_800_taka_03
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_cover_package_all_mbps_000_taka_04
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_looking_for_all_position_01
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_looking_for_call_center_executive
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_shuvo_bangla_noboborsho_01
touch_online_best_internet_service_provider_(isp)_in_halishahar_chittagong_shuvo_bangla_noboborsho_02
Photo credit: Chak Climate Education Program
Date: September 5, 2025
Location: Naikhongchhari - Chattogram, Bangladesh
Photo credit: Chak Climate Education Program
Date: September 5, 2025
Location: Naikhongchhari - Chattogram, Bangladesh
Photo credit: Chak Climate Education Program
Date: September 5, 2025
Location: Naikhongchhari - Chattogram, Bangladesh
ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই (Black Soldier Fly) হাঁস, মুরগী, গবাদি পশুসহ মাছের খাবারের একটি সহজলভ্য প্রাকৃতিক উৎস্; যা অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব। প্রচলিত বাণিজ্যিক খাদ্যের প্রচলন হওয়ার পূর্ব থেকেই পোকা-মাকড় ইত্যাদি প্রাণিকুলের প্রধান খাবার হিসেবে পৃথিবীব্যাপী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে জলাবদ্ধতা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, কার্বন নিঃসরণ ও পরিবেশ দূষণ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এছাড়া পোল্ট্রি, গবাদি পশু ও মৎস্য চাষে প্রায় ৭০% খরচ হওয়ায় খাদ্য ক্রয়ের জন্য খামারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই এর লার্ভাতে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩-৫৫ শতাংশ কিন্তু বাজারে প্রচলিত বাণিজ্যিক খাদ্যে ৩৩ শতাংশের কম প্রোটিন পাওয়া যায়। ফলে আশানুরূপ উৎপাদন পাচ্ছে না। এপ্রেক্ষিতে বর্তমানে ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই পালনের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বানিজ্যিক খাদ্যের বিকল্প হিসেবে বিএসএফ লার্ভা ব্যবহারের সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। শুধুমাত্র খাদ্যের উৎস হিসেবেই নয়, বরং বর্জ্যকে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (Recycling) করে উচ্চ মানসম্পন্ন জৈব সার (Frass) পাওয়া যায়। যা নিরাপদ রাসায়নিক সারের পরিবর্তে চাষাবাদে ব্যবহার করা যায়। এমতাবস্থায় নগর ও গ্রামীণ পর্যায়ে ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই পালন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে বর্জ্যকে সম্পদে (Waste to Wealth) পরিণত করা সম্ভব হবে এবং জলবায়ুর প্রভাব নিয়ন্ত্রন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অর্থনৈতিক উন্নয়নে ASSET প্রকল্পের গুরুত্ব
বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পটির কার্যক্রম জুলাই, ২০২১ খ্রিঃ হতে ডিসেম্বর, ২০২৬ খ্রিঃ মেয়াদে চলমান। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের যুব, শ্রমিক, নারী, প্রতিবন্ধী, অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাস করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরাম্বিত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পটি দেশের মধ্যে অবস্থিত কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং শিল্পের চাহিদাভিত্তিক ও যুগোপযোগী দক্ষ জনবল পূরণে সমগ্র দেশের বিভিন্ন কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।
ASSET প্রকল্প কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষার মান্নোনয়নের জন্য ডিপ্লোমা পর্যায়ের কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষণাগার, শ্রেণিকক্ষ ইত্যাদির আধুনিকায়নের জন্য গ্রান্ট বা মঞ্জুরী প্রদানসহ, শিক্ষক কর্মকর্তাগণের জন্য দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়ক ডিজিটাল শিক্ষণ যন্ত্র প্রদান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প-কারখানার মধ্যে সম্পর্ক জোরদারকরণ, শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে বাস্তব প্রশিক্ষণের পূর্ণতার জন্য শিল্প-কারখারনার পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশের জন্য স্কিলস কম্পিটিশন, বেকারত্বের হার কমানের জন্য চাকুরী মেলা আয়োজনসহ অনেক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এছাড়ও সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পূর্ব অভিজ্ঞতার সনদায়ন প্রতিষ্ঠান ও এন্টারপ্রাইজ এর জন্য প্রশিক্ষণ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সম্মানী প্রদান ও প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
দেশের জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে সম্মৃদ্ধ করে তুলতে হলে ও দেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হতে হলে আমাদেরকে কারিগরি শিক্ষার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অ্যাকসেলারেটিং অ্যানড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মহসিন আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ - কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, চট্টগ্রামে ASSET প্রকল্প আয়োজিত আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় যুব সমাজকে যুবশক্তিতে রুপান্তর করার জন্য কারিগিরি শিক্ষা তথা কারিগরি জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। ASSET প্রকল্প এই সব্ভাবনাময় যুব সমাজকে যুব শক্তিতে রুপান্তরকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট কারিগরি প্রতিষ্ঠানসমুহের কারিগরি ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
প্রকল্পের দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন ইকোনমিস্ট মিস ইয়োকো নাগাসিমা বলেন বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার বিশ্ববাংক। ASSET প্রকল্পের সুফল বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য গুরত্বপূর্ণ ভমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের ঢাকা প্রতিনিধি ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ড. মোঃ মোখলেসুর রহমান বলেন বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের জন্য ASSET প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। একই সাথে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে Green Skills (পরিবেশ বান্ধব দক্ষতা) কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
পৃথিবীতে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত যত দেশ আছে তাদের সবাই কারিগরি ক্ষেত্রে অগ্রগামী। কারিগরি শিক্ষাকে পুঁজি করেই উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে পৃথিবীর সেরা দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদেরও প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাকে প্রাধান্য দেয়া তা হলেই আমরাও অর্থনৈতিক সফলতা অর্জনে সফল হব, তিনি যোগ করেন।
দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এবং কানাডার আর্থিক সহায়তায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়ন করছে।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) জনাব মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি প্রকল্পের উপর বিশদ আলোচনা করেন।
-স্বাক্ষরিত-
প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ মাহাত
প্রোগ্রামার
ASSET Project
অর্থনৈতিক উন্নয়নে ASSET প্রকল্পের গুরুত্ব
বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পটির কার্যক্রম জুলাই, ২০২১ খ্রিঃ হতে ডিসেম্বর, ২০২৬ খ্রিঃ মেয়াদে চলমান। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের যুব, শ্রমিক, নারী, প্রতিবন্ধী, অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাস করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরাম্বিত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পটি দেশের মধ্যে অবস্থিত কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং শিল্পের চাহিদাভিত্তিক ও যুগোপযোগী দক্ষ জনবল পূরণে সমগ্র দেশের বিভিন্ন কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।
ASSET প্রকল্প কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষার মান্নোনয়নের জন্য ডিপ্লোমা পর্যায়ের কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষণাগার, শ্রেণিকক্ষ ইত্যাদির আধুনিকায়নের জন্য গ্রান্ট বা মঞ্জুরী প্রদানসহ, শিক্ষক কর্মকর্তাগণের জন্য দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়ক ডিজিটাল শিক্ষণ যন্ত্র প্রদান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প-কারখানার মধ্যে সম্পর্ক জোরদারকরণ, শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে বাস্তব প্রশিক্ষণের পূর্ণতার জন্য শিল্প-কারখারনার পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশের জন্য স্কিলস কম্পিটিশন, বেকারত্বের হার কমানের জন্য চাকুরী মেলা আয়োজনসহ অনেক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এছাড়ও সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পূর্ব অভিজ্ঞতার সনদায়ন প্রতিষ্ঠান ও এন্টারপ্রাইজ এর জন্য প্রশিক্ষণ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সম্মানী প্রদান ও প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
দেশের জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে সম্মৃদ্ধ করে তুলতে হলে ও দেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হতে হলে আমাদেরকে কারিগরি শিক্ষার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অ্যাকসেলারেটিং অ্যানড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ মহসিন আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ - কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, চট্টগ্রামে ASSET প্রকল্প আয়োজিত আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় যুব সমাজকে যুবশক্তিতে রুপান্তর করার জন্য কারিগিরি শিক্ষা তথা কারিগরি জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। ASSET প্রকল্প এই সব্ভাবনাময় যুব সমাজকে যুব শক্তিতে রুপান্তরকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট কারিগরি প্রতিষ্ঠানসমুহের কারিগরি ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
প্রকল্পের দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন ইকোনমিস্ট মিস ইয়োকো নাগাসিমা বলেন বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার বিশ্ববাংক। ASSET প্রকল্পের সুফল বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য গুরত্বপূর্ণ ভমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের ঢাকা প্রতিনিধি ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ড. মোঃ মোখলেসুর রহমান বলেন বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের জন্য ASSET প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকবে। একই সাথে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে Green Skills (পরিবেশ বান্ধব দক্ষতা) কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
পৃথিবীতে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত যত দেশ আছে তাদের সবাই কারিগরি ক্ষেত্রে অগ্রগামী। কারিগরি শিক্ষাকে পুঁজি করেই উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে পৃথিবীর সেরা দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদেরও প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাকে প্রাধান্য দেয়া তা হলেই আমরাও অর্থনৈতিক সফলতা অর্জনে সফল হব, তিনি যোগ করেন।
দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এবং কানাডার আর্থিক সহায়তায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়ন করছে।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) জনাব মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি প্রকল্পের উপর বিশদ আলোচনা করেন।
-স্বাক্ষরিত-
প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ মাহাত
প্রোগ্রামার
ASSET Project