View allAll Photos Tagged Schoolmemories,

A visit reflects on the education of bygone days in a recreated 1970s classroom at the Chinese Museum in Kuching, Sarawak. The wooden benches, chalkboard, and nostalgic atmosphere transport us back to a time when learning was simple yet profound.

 

Ps; This was how my classrooms were in those days.

Primary school, early 2000s.

Antique sepia-toned photograph of a Hungarian school class from 1924, featuring children and a teacher in period attire.

Historic 1947–1948 school class photo from Hungary with children and teachers in vintage frame. "Produce more – you will live better!" "Study better – you are worth more!"

In the days before we fully understood that the products Shell and other energy companies were selling us were making scenes such as this unlikely - in the UK now we seldom see such prolonged cold spells of weather even in winter. Anyhow, for now and in the middle of January let us revel in the wonderful work of Stanley Roy Badmin who provided this series commissioned from Shell Mex as part of that company's quite enlightened approach to corporate publicity. Badmin was an accomplished artist and illustrator and was in high demand for advertising work, book illustration and, for many years, greeting card design. His work here is typical of his output; meticulous and atmospheric, all very 'British".

 

The various nature and landscape series date from the 1950s and these prints, along with their descriptive text and a 'key plate' usually provided by Geoffrey Grigson, were issued as press adverts and also in poster form. It is as the latter I recall them on my school classroom walls. Here against a frozen winter's landscape Badmin finds some colour and form in the the midwinter. All from the warmth of inside!

এইতো একটুখানি ছোটবেলা!

স্কুলজীবনে দিনের সূচনা তো ঘটতো ঠিক এইভাবেই! স্কুলে গিয়েই কাধে রাখা সেই নিজের চেয়েও ভারী ব্যাগটা কোনোরকমে বেঞ্চে রেখে দিয়েই ভো দৌঁড়। ছোয়াছুয়ি, লুকোচুরি কিংবা পলানটুকটুক, জুতাচোর, বউচি আরও কতো কি যে নাম ছিলো খেলাগুলোর।

"আমি শপথ করিতেছি 'না' যে"

"আমার সোনার বাংলা.... এ মোটু! পিছনে সর!"

"আমি শপথ করিতেছি যে, আজও টিফিনে পালাবো"

 

এই এক এসেম্বলির মাঝেই যে কতোশত গল্প আছে তা লিখে শেষ করা যাবে না।

জাতীয় সঙ্গীত ভুলভাল গাওয়া, শপথের সময় মুখ মেলানো, ডানবাম করার সময় ইচ্ছে করে ভুল করা, পিটির মাঝে পিটি না করে দাঁড়িয়ে থাকা! আরও কতো কি!

 

তবে একটা বিষয়ে আমরা সবাই নিশ্চিত, পিটিতে কখনই আরামে দাঁড়িয়ে আমরা সেই আরামটা পাই নি, যতটা না জাতীয় সঙ্গীত - শপথ ভুল করে পেয়েছি।

 

(এখানে জাতীয় সঙ্গীতকে হেয় করে দেখানো হয়নি। স্কুলজীবনে বয়সের অপরিপক্কতার জন্যেই হয়তো আমরা জাতীয় সঙ্গীতের গভীরতাটা বুঝতাম না। এখানে শুধুমাত্র সেসময়ের আসল চিত্রটিই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।)

সিট নিয়ে যখন মারামারি, কথা কাটাকাটি চলছে, তখন অন্যদিকে স্কুলের দারোয়ান মামা এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে যেতো! এসেম্বলির জাতীয় পতাকাকে সম্মান বা স্যালুট জানানোর সময়টুকু ছাড়া যেনো কারোর নজরই পড়তো না জাতীয় পতাকার দিকে।

 

পড়বে কি করে? কতোরকমের যে অকাজ করতে ব্যস্ত থাকতে হতো সেসময়।

- "এই জায়গা ধরা আছে, অন্য জায়গায় বস!"

- "কিসের ধরা আছে? ওর ব্যাগ কই?"

- "ব্যাগ নাই তো কি হইছে? বই তো আছে। এইটা ওরই বই!"

 

যে আগে যাবে স্কুলে, তার দায়িত্ব পাশে সিট রাখা। মানে যেভাবেই হোক, বন্ধুকে পাশে বসাতেই হবে। কখনও কখনও তো পুরো বেঞ্চটাই একজন দখলে নিয়ে নিতো পুরো দলের হয়ে। আর যদি কেউ এসে জোর করে বসতে চায় সেই সিটে, তাকে দুটো বড় বড় কথা শুনিয়ে না দিলে যেনো মহাভারতই অশুদ্ধ হয়ে যেতো!

স্কুল শেষে, হঠাৎ করেই থমকে যায় এই করিডর। শান্ত হয়ে যায়, নিরিবিলি হয়ে যায়!

কিন্তু ওই যে "বন্যেরা বনে সুন্দর"। স্কুলের করিডোর কি নিরিবিলি মানায়? হৈচৈ হবে, হাসি ঠাট্টা হবে, দৌড় ঝাপ হবে, বহু রকমের বাঁদরামি হবে, শিক্ষকদের ভয় মিশে থাকবে এখানকার হাওয়ায়, শাস্তির মনোরম দৃশ্য থাকবে এখানকার চিত্রে... এই তো স্কুল করিডর।

 

ফাঁকা করিডরে হয়তো এখনো শোনা যায় আমাদের হাসি উল্লাস। করিডর আসলে ফাঁকা থাকেনা, নতুন কলরব এ মুখর হয়েই যায়৷ ফাঁকা তো হয়ে যায় আমাদের অন্তর, যেখানে স্কুলের সেই করিডরে আমরা আবার নিজেদেরকে দেখতে চাই, কল্পনা করলে হয়তো দেখতেও পাই। কিন্তু এই ইচ্ছা যে নিছকই অবাস্তব তা আমরা খুব ভালো করেই জানি।

 

চকবোর্ডে আঁকা আমাদের স্কুলজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে ঠিকই কিন্তু চক বোর্ডের স্মৃতিকথা থেকে যাবে এই অন্তরে, ঠিক এই করিডোরের মতোন।

এসেম্বলি থেকে পালানোর বিজয়টা মুখে হাসি এনে দিতো ঠিকই, তবে মুখের সেই বিজয়ী হাসিটা যেনো কখনও কখনও হয়েও হতো না। কারণ এরকম বুনো ওলগুলোর জন্যে বাঘা তেতুল টাইপ কিছু শিক্ষকও থাকতেন, যাদের চোখ ফাঁকি দেয়া প্রায় অসম্ভব।।

 

আর ধরা পড়ার পরপরই... হয় বারান্দায় কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকা, নয়তো কড়া রোদে মাঠের মাঝে স্ট্যাচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা, নয়তো সরাসরি পশ্চ্যাতে বেতের বাড়ি!

- "রোল নাম্বার এইট"

- "ইয়েস ম্যাম, সরি স্যার। ইয়েস স্যার"

- "রোল নাম্বার নাইন"

- "প্রেজেন্ট স্যার"

 

বন্ধু না আসলে বন্ধুর জন্যে প্রেজেন্ট স্যার উচ্চারণ করাটা যেনো খুবই স্বাভাবিক বিষয় ছিল। যদি বন্ধু জানিয়ে না-ও থাকে, তবুও তার এটেনডেন্স দিয়ে দিতে হতো। আসলে সেসময়ে হাতেগোণা ক'জন বাদে হয়তো কারো মাঝেই সেই ইগো বা হিংসা ভাবটা ছিলো না।

 

আবার হিংসা ছিলো না বলাটাও ভুল হবে। কিছু স্টুডেন্ট তো ছিলো যারা স্যারকে বলে দেবেই এ কথা। নইলে হয়তো তাদের ভাতই হজম হতো না।

"তোদের মতো বজ্জাত ক্লাস আমি আর একটাও দেখি নাই"

"ঐ ক্লাস থেকে আসলাম কেবল ক্লাস নিয়ে, ওরা কতো ভদ্র। আর তোরা!"

"খালি বাপ মায়ের টাকাই খরচ হচ্ছে, লাভ হচ্ছে না"

"এইটা কি মাছের বাজার"

"এখন পড়াশোনা করবি না এখন বুঝবি না, পরে গিয়ে মনে পড়বে আমার কথা"

 

হয়তো এই উক্তিগুলো প্রত্যেকেই শুনেছে। অন্য জগতের এলিয়েন না হলে স্কুলজীবনে এমন কেউ নেই যারা এই নীল ডাউন শাস্তিটা পায়নি। একদিকে পড়ুয়াদের কাছে ভীষণ লজ্জাজনক ব্যাপার ছিল শাস্তি পাওয়া।

 

অন্যদিকে, ডানপিটে স্বভাবের স্টুডেন্টদের কাছে এটা ছিলো আরো কষ্টের। নাই-বা পারতো লজ্জায় মেয়ে সহপাঠীদের দিকে তাকাতে, নাই-বা পারতো বন্ধুদের দিতে তাকাতে। কারণ, এদের ভালো মতোই জানা ছিলো, বন্ধুদের দিকে তাকালে উল্টা খিক করে হেসে দেওয়ার ভয়ংকর সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সত্যিই, শাস্তি পাওয়ার পরেও খিক করে হাসি বের হয়ে যাওয়ার মত বোকামিটা বোধহয় শুধুমাত্র স্কুলজীবনেই সম্ভব, তাই না?

নোটিস বোর্ড হচ্ছে একটা উভচরী জায়গা, সুসংবাদ-দুঃসংবাদ সবই আটকানো থাকতো সেখানে। পরীক্ষার তারিখ দেয়া হলে যতটাই দুঃখ লাগতো, ছুটির নোটিশ পেলে ততটাই আনন্দ। আবার একটা সিংগেল নোটিশও কারো কাছে আনন্দের হতো কারো কাছে কষ্টের-রেজাল্টের তালিকা।

 

নানা মুনির নানা মন্তব্য থাকে এই রেজাল্টের তালিকা নিয়ে,

"ইশ! আর হাফ মার্কের জন্য ৯৫ পেলাম না,

"ইশ! এ+ টা মিস গেল, নেক্সট পরীক্ষার আগে ফাটিয়ে পড়বো, বাড়ি গেলে ঠিক কয়টা মাইর খাওয়া লাগবে হিসাব করি"

 

তবে সবচেয়ে ইঞ্জয় তারাই করেছে স্কুলে, যারা রেজাল্ট দেখে চিল্লিয়ে বলেছে,

"আরে ব্বেটা ৩৩ পেয়ে পাশ করে গেছি! চল একটু সেলিব্রেট করি"

"স্যায়ায়ায়ার ক্ষমা দেন। আর পড়ায়েন না আজ"

"ও বন্ধুউউউ তুমি শুনতে কি পাও!!"

 

যারা সত্যিকারের ব্যাকবেঞ্চার ছিল তাদের মাথায় এতক্ষণে স্মৃতি ঘেরা সেইসব মুহূর্তগুলোর সব গান বেজে উঠছে, তাই না? শিক্ষক ব্ল্যাকবোর্ডের দিকে তাকালেই যেনো কিছু শিক্ষার্থীর উপর দুষ্ট আত্মা ভর করতো আর শিক্ষক সামনে ঘুরে তাকালেই দুষ্ট আত্মা গায়েব। এদেরকে পুরাতন পাপী বললেও মন্দ হয়না, কারণ ক্লাসে কোন অঘটন ঘটলে প্রথম সন্দেহ যে এদের ঘাড়েই পড়তো।

 

তবুও, এতো বাদরামির পরও যদি কোনো কারণে সেই ব্যাকবেঞ্চারদের কেউ একজন একদিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকতো, স্যার-ম্যাডামরা কিন্তু ঠিক-ই জিজ্ঞেস করতো,

"কিরে আজ তোদের সবাইকে দেখছিনা যে!"

 

মুখে না বলতে পারলেও তাদের নীরব মনে হয়তো ঠিকই বাজতো...

"বাঁদরগুলো ছাড়া ক্লাসটা আসলেই ফাঁকা ফাঁকা লাগে"

Do you want to remember your high school days forever? Your {4-Year} High School Journal will allow you to do just that. Fill in the special moments for each day of your school year for the entire time you're in high school. Your {4-Year} High School Journal will hold your freshman, sophomore, junior & senior years memories forever. This is the perfect gift for your friends, your family, your loved ones, and you.

 

This beautiful {4-Year} High School Journal is formatted to show four days per page, and a ruled page for best moments of your high school years, about me pages, a page for a list of things that you want to do after high school, and pages to place pictures of your freshman picture, sophomore picture, junior picture, senior picture, best friend picture, silly picture & prom picture. This {4-Year} High School Journal is a wonderful keepsake that everyone can treasure forever.

 

Journal for fans of The Secret, Oprah, Eat Pray Love & Law of Attraction

 

Available on Amazon.com

High School Journal - Class of 2016

High School Journal - Class of 2017

  

"আমি গালে হাত বুলিয়ে দিতে গেলাম, কিন্তু সে আমার হাতটা টেনে নিয়ে বুকে চেপে ধরল। চুপি চুপি বলল, কারো কাছে যেটি পাই না, তুমি তা দেবে কেন?"

 

"আমি অবাক হয়ে বললাম, কি দিলাম আমি?"

 

থাক! এ সম্পর্কে আর কিছু না বলি! ছবিটা আর লাইনগুলো দেখেই যাদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি চলে এসছে তারা ভালো করেই চেনেন মমতাদীকে। কি? দিদিকে ইম্যাজিন করেছিলেন না সেসময়? সত্যি করে বলুন তো?

"আরে ক্লাশ টা আরেকটু যাক, তারপর যাই।"

 

স্কুলের এই ওয়াশরুম এর সংজ্ঞা জানেন?

ক্লাস চলাকালীন সময়ে যে জায়গা ক্লাস থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং কাজ শেষে উক্ত জায়গা থেকে ক্লাস সবচেয়ে দূরবর্তী! ... হুম এই জায়গার নাম-ই স্কুলের ওয়াশরুম।

 

ফিনাইলের তীব্র গন্ধ ভেসে আসছে নাকে? ছবি বা স্মৃতি ঠিক এভাবেই আমাদেরকে অতীতে নিয়ে যায়, তাই না? যতরকমের বদমাইশি ফন্দি ফিকির, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা সব টপ সিক্রেটগুলোর আড্ডাখানাও বলা যেতে পারে এই ওয়াশরুমকে। চরম দুর্গন্ধও বাধা দিতে পারতো না সেই আড্ডাকে। ক্লাসের ফাঁকে ওয়াশরুমে যাওয়াটা অনেকের কাছে নিছকই একটা বাহানা ছিলো রিলাক্স করার জন্য, কিন্তু পরীক্ষার সময় টয়লেটে যাওয়া হতো একটা গুরুত্বপূর্ণ সার্বজনীন মিটিং বসানোর উদ্দেশ্যে!

অন্যদিকে আরেক দল থাকে এসেম্বলির কষ্টের ঠিক উল্টোদিকে! এসেম্বলি শুরুর বাঁশি কানে আসার সাথে সাথে সবার যেমন লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ছোটাছুটি শুরু হয়, ঠিক তখনই এই দলের ছোটাছুটি শুরু হয় কিভাবে এসেম্বলি থেকে পালানো যাবে।

 

তখন এসেম্বলি থেকে পালানোটা খুব বেশিই আরামের ছিল, যেনো জীবনের অনেক বড় একটা কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যেতো।

"যারা যারা কলম খেলবে নাম রোল লিখে রাখবি"

 

"এই স্যার আসতে দেরি আছে। কলম বের কর।"

 

যখন পড়ুয়া স্টুডেন্টরা পরবর্তী ক্লাসের পড়া রিভাইজ করতে ব্যস্ত, তখন কলম না খেলার এই বিধিনিষেধের পরও কিছু স্টুডেন্টদের জন্য ক্লাসের মাঝে ফাঁকা সময়টুকু কয়েকদান কলম না খেললে যেনো জমতোই নাহ! এর জন্যে তো মাঝে মাঝেই ক্লাস ক্যাপ্টেনদের সাথে চোখ রেশারাশি চলতেই থাকতো। তো সেই ক্লাস ক্যাপ্টেনগুলো আজকে কোন থানার ওসি?

A Butterfly Originals, LTD. product - Collection designed and produced by Giovanni Trimboli.

1 3 4 5 6 7 ••• 13 14