ImmunityBackup
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশির আশঙ্কা!
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশির আশঙ্কা! এমনিতেই মরসুম বদলের সময় জ্বর-সর্দি-কাশির মতো উপসর্গগুলো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। বিশেষ করে যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম। বা শিশু ও বয়সস্কদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়। তাপমাত্রার হঠাৎ তারতম্য বা দূষণের প্রভাব সামলানো একটু মুশকিলের বিষয় হয়ে যায়। সবচেয়ে ভোগায়, খুকখুকে কাশি। যদি আপনার বুকে-পিঠ কফ জমে গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দরকারে অ্যান্টিবায়োটিকও খেতে হতে পারে। কিন্তু যাঁদের সে সব সমস্যা নেই, তাঁরা আগে ট্রাই করে দেখুন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়।
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশি
অক্টোবরের শেষ থেকে পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে বাচ্চারা চট করে মানিয়ে নিতে পারে না। ফলে ঠান্ডা লেগে যায়। সাধারণত এই সর্দি-কাশি পাঁচ থেকে সাত দিন থাকে। কখনও নিজে থেকেই সেরে যায়।সর্দি-কাশি হবে না, তা কখনও হতে পারে না। এগুলো ভাইরাল ইনফেকশন। আর তা হতে হতেই বাচ্চাদের ইমিউনিটি তৈরি হয়ে যায়। তবে সর্দি-কাশির ধরনটা খেয়াল করতে হবে। কারণ সোয়াইন ফ্লু হলেও একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। যদি বাচ্চার খাওয়াদাওয়া শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কমে যায়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শ্বাস নেওয়ারসময়ে পেট ওঠা-নামা করে, গায়ের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে, সে ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
কী ভাবে ছড়ায়
- বাড়িতে একাধিক বাচ্চা থাকলে একদম ছোট বাচ্চা সবচেয়ে বেশি ভোগে। কারণ বড় বাচ্চা তো বাইরে খেলতে যায়, স্কুলে যায়। সে ইনফেকশন বহন করে নিয়ে আসে।
- স্কুলে বাচ্চারা একসঙ্গে একে অপরের টিফিন ভাগ করে খায়। সেখান থেকেও কিন্তু অনেকের মধ্যে সেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
- ‘‘বয়স্ক সদস্যের থেকেও ইনফেক্টেড হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাড়ির বড়দের ফ্লু বা হুপিং কাশির ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। একে
immunitybackup.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%...
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশির আশঙ্কা!
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশির আশঙ্কা! এমনিতেই মরসুম বদলের সময় জ্বর-সর্দি-কাশির মতো উপসর্গগুলো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। বিশেষ করে যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম। বা শিশু ও বয়সস্কদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়। তাপমাত্রার হঠাৎ তারতম্য বা দূষণের প্রভাব সামলানো একটু মুশকিলের বিষয় হয়ে যায়। সবচেয়ে ভোগায়, খুকখুকে কাশি। যদি আপনার বুকে-পিঠ কফ জমে গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দরকারে অ্যান্টিবায়োটিকও খেতে হতে পারে। কিন্তু যাঁদের সে সব সমস্যা নেই, তাঁরা আগে ট্রাই করে দেখুন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়।
সিজন চেঞ্জে সর্দি-কাশি
অক্টোবরের শেষ থেকে পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে বাচ্চারা চট করে মানিয়ে নিতে পারে না। ফলে ঠান্ডা লেগে যায়। সাধারণত এই সর্দি-কাশি পাঁচ থেকে সাত দিন থাকে। কখনও নিজে থেকেই সেরে যায়।সর্দি-কাশি হবে না, তা কখনও হতে পারে না। এগুলো ভাইরাল ইনফেকশন। আর তা হতে হতেই বাচ্চাদের ইমিউনিটি তৈরি হয়ে যায়। তবে সর্দি-কাশির ধরনটা খেয়াল করতে হবে। কারণ সোয়াইন ফ্লু হলেও একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। যদি বাচ্চার খাওয়াদাওয়া শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কমে যায়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শ্বাস নেওয়ারসময়ে পেট ওঠা-নামা করে, গায়ের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে, সে ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
কী ভাবে ছড়ায়
- বাড়িতে একাধিক বাচ্চা থাকলে একদম ছোট বাচ্চা সবচেয়ে বেশি ভোগে। কারণ বড় বাচ্চা তো বাইরে খেলতে যায়, স্কুলে যায়। সে ইনফেকশন বহন করে নিয়ে আসে।
- স্কুলে বাচ্চারা একসঙ্গে একে অপরের টিফিন ভাগ করে খায়। সেখান থেকেও কিন্তু অনেকের মধ্যে সেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
- ‘‘বয়স্ক সদস্যের থেকেও ইনফেক্টেড হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাড়ির বড়দের ফ্লু বা হুপিং কাশির ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। একে
immunitybackup.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%...